আজকের বাক্য
'আর তোমরা এই জগতের রীতি অনুযায়ী চলো না, কিন্তু তোমাদের মনের নবী করণ দ্বারা স্বরূপান্তরিত হও। তখন তোমরা ঈশ্বরের ইচ্ছাকে যাচাই ও অনুমোদন করতে পারবে, যা উৎকৃষ্ট, প্রীতিজনক ও সিদ্ধ। ' রোমীয় ১২:২

২৮ মে, ২০২০
আজকের বাক্য (২৮ মে, ২০২০)
‘‘যে বিশ্বাস না করে, তাহার বিচার হইয়া গিয়াছে।" (যোহন ৩:১৮)
নরকে যাওয়া অবধি আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি ইতিমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন! ‘‘ইহা একমাত্র [যখন আপনাকে] আনয়ন করা হইয়াছে আপনার দোষ দেখাইতে [এবং আপনার অনুভূতি পাইতে] এই উপায়ে [যাহাতে আপনি আসিবেন] খ্রীষ্টের প্রতি উদ্ধার এবং পরিত্রাণের জন্যে।’’ আপনি কি আপনার পাপ অনুভব করেন? যদি আপনি আপনার পাপ অনুভব করেন, আর সেটা আপনাকে বিরক্ত করে, তাহলে তখন আপনি যীশুর কাছে আসুন এবং তাঁকে বিশ্বাস করুন, এবং আপনার পাপ থেকে আপনাকে শুচি করার জন্যে তিনি যে রক্ত ঝরিয়েছেন সেই রক্তের দ্বারা ধৌত হয়ে শুচি হন। প্রকৃত পরিত্রাণ লাভ করার জন্যে এছাড়া আর অন্য কোন পথ নাই। আমি প্রার্থনা করছি যে সেখানে যেন কখনও একটি রবিবার না থাকে যখন আমি যীশুর রক্তের উপরে প্রচার করব না। এছাড়া আমি আর কোন সুসমাচার জানি না - যীশুকে বিশ্বাস করুন এবং আপনি শুচি হবেন। কালভেরীর ক্রুশে ঝরানো যীশুর রক্ত আপনার একমাত্র আশা! তবুও আপনি যীশু অথবা তাঁর রক্তের উল্লেখ করছেন না! কেন নয়? কারণ আপনি আপনার পাপ অনুভব করছেন না - ঐ কারণে! ঐ কারণে! ঐ কারণে! আপনি সঠিক শব্দগুলি শেখার চেষ্টা করছেন। ওহ, আপনি কি বোকা! অগাস্টিন বলেছিলেন, ‘‘আমাদের হৃদয়গুলি বিশ্রামহীন যতক্ষণে না তাহারা তোমাতে বিশ্রাম খুঁজিয়া পায়। সেখানে পরিত্রাতার শিরা থেকে নিঃসৃত রক্তে পরিপূর্ণ, একটি স্রোত আছে। এবং পাপীগণ, সেই স্রোতে ডুব দিলে, তাদের সব পাপের কলঙ্ক দূর হয়। এখন যীশুর কাছে আসুন। তাঁর পবিত্র রক্তের দ্বারা সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হন! আমেন।
![আজকের বাক্য (২৭ মে, ২০২০)
"[শয়তান] আমাদের ভ্রাতৃগণের উপরে দোষারোপকারী, যে দিবারাত্র আমাদের ঈশ্বরের সম্মুখে তাহাদের নামে দোষারোপ করে, সে নিপাতিত হইল। আর মেষশাবকের রক্ত প্রযুক্ত...’’ (প্রকাশিত বাক্য ১২:১০-১১)](https://static.wixstatic.com/media/nsplsh_5f344d6b41712d41796367~mv2_d_3225_2151_s_2.jpg/v1/fill/w_260,h_260,al_c,q_80,usm_0.66_1.00_0.01,enc_avif,quality_auto/Image-empty-state.jpg)
২৭ মে, ২০২০
আজকের বাক্য (২৭ মে, ২০২০)
"[শয়তান] আমাদের ভ্রাতৃগণের উপরে দোষারোপকারী, যে দিবারাত্র আমাদের ঈশ্বরের সম্মুখে তাহাদের নামে দোষারোপ করে, সে নিপাতিত হইল। আর মেষশাবকের রক্ত প্রযুক্ত...’’ (প্রকাশিত বাক্য ১২:১০-১১)
শয়তান জানে যে একমাত্র উপায় যার দ্বারা যে কেউ তার উপরে বিজয় লাভ করতে পারে তা হল মেষশাবকের রক্ত - অর্থাৎ, ঈশ্বরের মেষশাবক, খ্রীষ্টের রক্ত। বাইবেল বলছে যে শয়তান হল একজন হত্যাকারী। যাকে পারে তাকেই সে ধ্বংস করতে চায়। এবং সেই কারণে সে তিক্তভাবে খ্রীষ্টের রক্তকে ঘৃণা করে। সে জানে যে একবার যদি কোন ব্যক্তি খ্রীষ্টের রক্ত পান, তিনি বিজয় লাভ করেন। খ্রীষ্টের রক্তের দ্বারা পাপীরা শয়তানের উপরে বিজয়লাভ করেন। শয়তান তা ঘটতে দিতে চায় না। সেইজন্যে খ্রীষ্টের রক্তকে গুরুত্বহীন করতে এবং এর অখ্যাতি করার জন্য সে যা যা পারে তার সবকিছু করে।
উনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে এবং ৩০তম শতাব্দীর প্রথম অংশে খ্রীষ্টের রক্তের উপরে আঘাত হানার জন্যে শয়তান ঈশ্বরতাত্ত্বিক উদারপন্থীদের বিপথে চালিত করেছিল। ডঃ ফেররী বলেছিলেন, ‘‘মুরগির রক্তের তুলনায় খ্রীষ্টের রক্তের আর বেশী কিছু ক্ষমতা নাই।" ডঃ ফোসডিক রক্তের প্রায়শ্চিত্তমূলক কুরবানিকে, ‘‘একটি কসাইখানার ধর্ম’’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। সেই ধরণের লোকেরা ক্ষিপ্তভাবে খ্রীষ্টের রক্তের বিরুদ্ধে বলেছেন - যেহেতু তারা শয়তানের দ্বারা সেই কাজ করতে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। কিন্তু, বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগের শুরুতে, শয়তান অন্য আর এক উপায়ে খ্রীষ্টের রক্তকে আক্রমণ করতে শুরু করেছিল। খ্রীষ্টের রক্তের সম্মানহানি করতে শয়তান রক্ষণশীল সুসমাচার প্রচার সংক্রান্ত মানুষদের প্ররোচিত করত। আমাদের পাঠ্যাংশ প্রকাশিত বাক্য ১:৫ পদের বিষয় তার দেওয়া টীকাতে, ডঃ ম্যাকগী বলেছিলেন, বর্তমানে যেমন কিছু লোক করেন তেমন আমি খ্রীষ্টের রক্তের মূল্য হ্রাসের প্রতি ঝুঁকি না। আমি এই শব্দ দিয়ে তৈরী সেই গানটি আমি এখনও পছন্দ করি,
এক স্রোত আছে শোনিতের, তায় পাপী ডুবিলে
যায় সব কলঙ্ক পাতকের, সেই স্রোত ইম্মানূয়েলের; মোর বিশ্বাস যীশু ক্রুশেতে করিলেন রক্তদান, পাপী যে আমি শোনিতে পাই যেন পরিত্রাণ।

২৬ মে, ২০২০
আজকের বাক্য (২৬ মে, ২০২০)
‘‘শান্তি আ মি তোমাদের কাছে রাখিয়া যাইতেছি, আমারই শান্তি তোমাদিগকে দান করিতেছি; জগৎ যেরূপ দান করে, আমি সেরূপ দান করি না…।" (যোহন ১৪:২৭)
যখন একজন ব্যক্তি খ্রীষ্টকে জানেন, সেখানে একটি স্থায়ী আভ্যন্তরীন শান্তি সৃষ্টি হয়, যা পৃথিবীর অন্য কারও কাছে থাকে না।
সেই ব্যক্তি যিনি খ্রীষ্টের “মধ্যে” থাকেন, এবং যিনি প্রার্থনার মধ্যে দিয়ে তার সমস্যা যীশু নামে ঈশ্বরের প্রতি সমর্পন করেন, তার কাছে এক অদ্ভূত ধরণের শান্তি থাকে, যাকে বাইবেল বলছে “সমস্ত চিন্তার অতীত, যে ঈশ্বরের শান্তি” (ফিলিপীয় ৪:৭ )। এই জগত সেই শান্তি সাধারণভাবে বুঝতে পারে না যে খ্রীষ্ট বিশ্বাসীরা কেন গ্রেপ্তার হওয়া, অত্যাচারিত হওয়া, কারাবন্দী হওয়া, এবং শাস্তি পাওয়ার মত ঘটনার মধ্যে দিয়ে যাবেন – যেমনটি নাকি আজ এখন বিশ্বের চতুর্দিকের বহু রাষ্ট্রেই হয়ে চলেছে।
এই শান্তির অর্থ এই নয় যে খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের মধ্যে কোন আভ্যন্তরীন দ্বন্দ, ভাবাবেগ গত কোন সমস্যা, বা শারীরিক কোন অসুস্থতা নেই। বিশ্বে বহু সুসমাচার প্রচার সংক্রান্তেরা সাফল্য, উন্নতি, প্রশান্তি, সুখ, এবং স্ব-উন্নতি নিয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে আছেন। তার বিশ্বাসের জন্য মাথা নিচের দিকে করে ঝুলিয়ে দেওয়া একজন চীনা খ্রীষ্ট বিশ্বাসীর কাছে অথবা কিউবাতে বসবাসকারী একজন খ্রীষ্ট বিশ্বাসীর কাছে, যিনি পাঁচ বছরের জন্য একাকী কারাবন্দী ছিলেন, অথবা যীশুতে বিশ্বাস করার জন্য মৃত্যুর সম্মুখীন হওয়া ইরানের একজন খ্রীষ্ট বিশ্বাসীর কাছে এই বিষয়গুলি হাস্যকর বলে মনে হবে।
তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলির এই সমস্ত তাড়নাগ্রস্ত খ্রীষ্ট বিশ্বাসীগণ যীশু কি বলতে চেয়েছিলেন সেটা বোঝার জন্য অনেক বেশী কাছে এসেছেন যখন যীশু বলেছিলেন, “এই সমস্ত তোমাদিগকে বলিলাম, যেন তোমরা আমাতে শান্তিপ্রাপ্ত হও” (যোহন ১৬:৩৩)| আমি মনে করি তারা বুঝে থাকবেন যে এই শান্তি একটি আভ্যন্তরীন শান্তভাবের সঙ্গে সংযুক্ত অবস্থার উল্লেখ করছে, যা এই জ্ঞানের ফলস্বরূপ প্রাপ্ত যে, তাদের পাপের ক্ষমা হয়েছে এবং ঈশ্বর তাদের সম্পর্কে যত্নশীল।
